Monday, April 4, 2016

whaff reward দিয়ে আয় করুন।

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন আপনারা ?
আশা করি সবাই ভালই আছেন।
আপনারা হয়তো এর আগেও অনেকে
এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে টাকা আয় করার
চেষ্টা করেছেন। কেও ব্যবহার করেছেন
mcent বা অন্য কোন অ্যাপ। কিন্তু মনের
মত কি আয় করতে পেরেছেন? আমিও
mcent ব্যবহার করেছি। কিন্তু মোটেও
সন্তুষ্ট হতে পারিনি। কেননা তাদের
রেট খুব কম। আবার কখনও কখনও অ্যাপ শো
করেনা। তাই ব্যবহার করতে আর ইচ্ছে
হচ্ছিল না। তখন ভাব্লাম আমার ভাগ্যে
মনে হয় টাকা আয় আর হবে। তারপর
দেখলাম whaff নামের একটি অ্যাপ।
প্রথমে ভাবলাম এটা মনে হয় mcent এর
মতই ফালতু একটা অ্যাপ। তারপর কিছুদিন
ব্যবহার করলাম। ভাল আয়ও করলাম। প্রায়
২২ ডলার। তাই আপনাদের সাথে
শেয়ার করতেছি। এটি ব্যবহারে আপনি
কখনও হতাশ হবেন না।
নিচে এর ফিচার গুলো উল্লেখ
করলামঃ
প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন
অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12
পর্যন্ত।

WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি
প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-
$0.1 পর্যন্ত।

তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন
পর্যন্ত পাবেন।
WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall
না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1
পরযন্ত।
প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে
পাবেন $0.01
প্লে স্টোরে WHAFF এর উপর রিভিও
কররে পাবেন $0.1
গুগল প্লাসে WHAFF কে অ্যাড করলে
পাবেন $0.1
এটি রেফারেলও সাপোট করে। তাই
রেফারেল করেও টাকা আয় করতে
পারবেন।
এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ।
এছারাও যদি আপনি কাওকে ইনভাইট
করেন তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০
ডলার আর সেও পাবে ০.৫০ ডলার।
টাকা Payout করার পদ্ধতি সমূহ:
Google Play Gift Card(কমপক্ষে $12)
Amazon Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
Paypal (কমপক্ষে 10.5)
Itunes Gift Card(কমপক্ষে $12)
Xbox Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
Facebook Gift Card(কমপক্ষে $12)
PlayStation Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
Steam Gift Card(কমপক্ষে $22)
তো চলুন শুরু করা যাক
১। প্রথমে whaff অ্যাপটি আপনার
মোবাইলে play store থেকে ডাউনলোড করে নিন।
২। এরপর অ্যাপটি ওপেন করে উপরের ডান  দিক থেকে  login এ ক্লিক করুন
৩। তাহলে ফেসবুক লগিন উইন্ডো বের
হবে সেখানে আপনার ইমেইল ও
পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন (ভয়
পাবেননা এটি কোন ফিশিং অ্যাপ
নয়)। নিচের মতো করে
৪। এরপর নিচের মতো দেখতে পাবেন
ওইখানে OK তে ক্লিক করুন
৫। ওকে তে ক্লিক করলে আপনি সাইন ইন
হয়ে যাবেন। এবং নিচের মতো উইন্ডো
দেখতে পাবেন
এইখানে এই ঘরে DN57775 লিখুন এবং
ওকে তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি
পাবেন ০.৫০ ডলার। এটি হচ্ছে আমার
ইনভাইটেশন কোড। এই কোড লিখে ওকে
করলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার। যদি
আপনি কোড টা না দেন তাহলে আপনি
০.৫০ ডলার পাবেন না।
৭। কোডটি দেওয়ার পর নিচের মতো
উইন্ডো দেখতে পাবেন।
এইখানে
আপনি নানা ধরনের আপ্পস পাবেন। এখন
অগুলো শুধু ডাউনলোড করুন। আর আয় করতে
থাকুন।
প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন
অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12
পর্যন্ত।
WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি
প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-
$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন
পর্যন্ত পাবেন।
WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall
না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1
পরযন্ত।
৮। প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক
করলে পাবেন $0.01। নিচের ছবির মতো
Check your attendence and get rewards এ ক্লিক
করুন তাহলেই পেয়ে যাবেন $0.01।
৯। নিচের ছবির মতো করে whaff এর
লোগো তে ক্লিক করুন। তাহলে একটি
মেনু ওপেন হবে। সেখানে Invite Friend
নামে একটি অপশন আছে। ওইখানে
ক্লিক করলেই আপনি আপনার Invitation code
টি দেখতে পারবেন।
আর সেটি আপনার বন্ধুদের সাথে
শেয়ার করুন তাহলে আপনি পাবেন ৳
৳ :D।
পেমেন্ট প্রুফ
আমাদের দেশের জন্য ২টা অফার আর
আমেরিকা/জার্মানি তে ১০-২০ টা
অফার থাকে! আর দেশেই থাকবোনা!
প্লে Store থেকে Cyberghost Vpn
ডাউনলোড করে নিন। ১০০% সেফ! ব্যান
হবেন না! তারপর অ্যাপ টি ইন্সটল করে
Select Country তে America/Germany
দিয়ে Connect বাটনে সিলেক্ট করে
1 মিনিট অপেক্ষা করুন
Connected দেখালে Whaff rewards ওপেন
করুন আর দেখুন চমৎকার! এইভাবে
কাজ করে ২০ দিনের মধ্যে ইনশাআল্লাহ্
12$ করতে পারবেন। কখোনো প্রব্লেম
দিলে Cyberghost অ্যাপ এ গিয়ে অন্য
দেশ সিলেক্ট করুন।
America এর সব অফার শেষ করলে, Germany
যাবেন,তাও শেষ
হলে Netherlands,Romania,China তো আছেই !
তো আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামি
কোন টিউনে সে প্রজন্ত ভাল থাকুন।

tus দিয়ে ইনকাম করুন খুব সহজে!!

কেমন আছেন সবাই? আশা করি
সবাই আল্লাহ্র রহমতে ভালো
আছেন। আমি ও ভালো আছি। আজ
আপনাদের সাথে শেয়ার করবো
কিভাবে Tsu ব্যবহার করে আয়
করা যায় ।
আমরা সাধারণত ফেইসবুক থেকে
কোন ইনকাম করতে পারি না।
যার ‍পুরোটাই চলে যায়
ফেইসবুকের তহবিলে। কিন্তু tsu
বলেছে যে তার ইনকামের ৯০%
দিয়ে দিবে তার ইউজারকে।
এবং এর অনেক প্রমাণও আছে।





Like= 0.01$, Comment=0.02$ And
Share=0.05$
১৫০ ফ্রেন্ড হওয়ার পর থেকেই
আপনার ইনকাম শুরু হবে। আপনি
আপনার পোষ্ট এ যত লাইক, কমেন্ট,
শেয়ার আর ভিউয়ার পাবেন,
আপনার ইনকাম তত বাড়বে।


আর
তাই Like, Comments & Share হলো এই
সাইটের ইনকাম এর মূল হাতিয়ার ।
তার চেয়ে বড় হলো Family Tree
তৈরি করা। মেম্বার যত বেশি
হবে, ইনকাম ও তত বাড়বে। কারন,
আপনি যাদের ইনভাইট করবেন,
তাদের ইনকামের ৫০% বোনাস
পাবেন আপনি। এরপর বাকি
সার্কেল তো আছেই।

Tsu তে জয়েন করুন  এখান থেকে
এখানে আপনার সম্পূর্ণ ডিটেইলস
দিয়ে সাইন আপ করুন। এরপর
ভিতরে প্রোফাইল ঠিক করুন
আপনার মত করে।
এর পুরোটাই হলো ফেইসবুকের মত।
এখানে ফেইসবুক, টুইটার, ইউটিউব-
এর লিংক দিতে পারেন শেয়ার
বাড়ানোর জন্য। ভালো রেসপন্স
পাবেন।

Friday, March 25, 2016

হ্যাকিং কি?

আসসালামু আলাইকুম !! কেমন আছেন
সবাই ? আমি shanto আছি আপনাদের
সাথে !! আজ আমরা জানবো হ্যাকিং
কি ? কত প্রকার ? কেনো শিখবেন ? কি
কি লাগবে ?
১। হ্যাকিং কি ? : হ্যাকিং বলতে
আমরা শুধু কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক্স
এর জিনিস এর কাজ বুঝি আসলে তা
না ! অনেকেই আবার শুধু ফেসবুক বা
ওয়েবসাইট হ্যাকিংকে হ্যাকিং মনে
করেন ! আসলে হ্যাকিং একটি
প্রক্রিয়া যেখানে কেউ কোন বৈধ
অনুমতি ছাড়া কোন কিছু পরিবর্তন
করে ! এখানে অনেক কিছু হতে পারে !
২। কত প্রকার ? : হ্যাকিং অনেক ধরনের
হয়ে থাকে * সফটওয়্যার হ্যাকিং
*হার্ডওয়্যার হ্যাকিং *ওয়েবসাইট
হ্যাকিং *OS হ্যাকিং আরো হাজার
ধরনের হ্যাকিং আছে ! যারা এই
কাজগুলো করে তাদের বলে হ্যাকার !
৩। কেনো শিখবেন ? : হ্যাকিং শিখে
আপনি শুধু ওয়েবসাইট হ্যাকিং করবেন
তা কিন্তু না ! আপনি আপনার দক্ষতা
ব্যবহার করে ভালো চাকরি পেতে
পারেন অথবা আপনি ওয়েবসাইট
নির্মাতাকে তার ওয়েবসাইট এর
দুর্বলতা সম্পর্কে বলে বিশাল অংকের
Bounty পেতে পারেন ! আবার শখের
বসেও শিখতে পারেন
৪। কি কি লাগবে ? : বেশি কিছু
লাগবে না !! যথেষ্ট ধৈর্য থাকতে
হবে ! ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার
সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে !
একটা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট
কানেকশন থাকলে আপনি সহজে
শিখতে পারবেন ! যদি না থাকে
সাইবার ক্যাফে গিয়েও আপনি
শিখতে পারেন !
**কিছু প্রশ্নের অগ্রিম উত্তর :
>ভাইয়া আমি প্রোগ্রামিং পারি না
আমি কি শিখতে পারবো ?
হুম পারবেন ! সকল প্রকার হ্যাকিং এর
জন্য প্রোগ্রামিং লাগে না কিছু কিছু
ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় তখন না হয় শিখে
নিলেন
>ভাইয়া কত তারা তারি শিখতে
পারবো ?
ভাইয়া মনে রাখা ভালো যে গাছ যত
জলদি বারে সেটা তত জলদি ভেঙ্গে
পরে !
আমাকে ফেসবুকে ফলো করতে পারেন
: Emran সবাইকে ধন্যবাদ !

Saturday, March 19, 2016

দুই দিনে শিখলেন কোড, তারপর কোটিপতি


শুনে মনে হতে পারে অবিশ্বাস্য কোনো গল্প। কিন্তু এ গল্পটি যখন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ বলেন, তখন তা বিশ্বাসযোগ্যই কিছু। কারণ এর সঙ্গে যুক্ত আছে ফেসবুকের শুরুর দিকের গল্প আর ডাস্টিন মস্কোভিজের দুই দিনে কোড শিখে কোটিপতি হওয়ার ইতিহাস।
মার্ক জাকারবার্গকে সহজে চিনলেও মস্কোভিজকে সহজে চেনার কথা নয়। তবে জাকারবার্গ স্বীকার করেছেন—ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের একজন এই মস্কোভিজ। তিনি ফেসবুক তৈরি ও প্রসারে জাকারবার্গকে সাহায্য করেছিলেন। মাত্র দুই দিনে পিএইচপির মতো প্রোগ্রামিং ভাষা আয়ত্ত করেছিলেন তিনি, যা তাঁকে কোটিপতি বানিয়ে দেয়।

গল্পের শুরুটা ২০০৫ সালে। তখন মাত্র ৫০ জন কর্মীর একটি উদ্যোগ ছিল ফেসবুক। তখন জাকারবার্গ হার্ভার্ডে একটি বক্তৃতা দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। কিন্তু ওই সময় জাকারবার্গ তো আর তেমন নামকরা কেউ ছিলেন না! তাই কে শুনতে আসবে তাঁর বক্তৃতা! তবে জাকারবার্গের ওই বক্তৃতাটি কয়েক বছর আগে ইউটিউবে পোস্ট করা হয়, যেখানে জাকারবার্গ আর মস্কোভিজের এই গল্পের কথা বলা হয়েছে।
জাকারবার্গ বলেন, তাঁর রুমমেট ও সহপাঠী মস্কোভিজ ফেসবুক নিয়ে তাঁকে সাহায্যের জন্য উদগ্রীব ছিলেন। কিন্তু প্রোগ্রামিং বিষয়ে কিছুই জানতেন না। পিএইচপি শিখতে বলা হলেও ভুল করে শিখে ফেলেছিলেন পার্ল।
পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে ডরমিটরিতেই ফেসবুক তৈরি করেন জাকারবার্গ এবং দ্রুত সেটি জনপ্রিয় হয়। জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি সাইটটি তৈরি করা শুরু করেছিলাম আগেই যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ড উন্মুক্ত করা হয়। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক হাজার মানুষ এতে সাইন আপ করেন এবং অনেকের কাছ থেকে এটি চালুর জন্য ইমেইল পেতে শুরু করি।’
এ সময় ফেসবুকের প্রসার করার দরকার পড়লে মস্কোভিজ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন এবং বলেন, ‘তোমাকে সাহায্য করতে চাই, ফেসবুককে আরও প্রসারে কীভাবে সাহায্য করতে পারি?’
জাকারবার্গ তাঁকে পিএইচপি জানার কথা জিজ্ঞাসা করেন। যাঁরা প্রোগ্রামিং ভাষা ‘সি’ জানেন, তাঁদের জন্য পিএইচপি শেখা সহজ।
ওই সপ্তাহেই মস্কোভিজ বাড়ি চলে যান এবং ‘পার্ল ফর ডামিস’ নামের বই কেনেন। ফিরে এসে জাকারবার্গকে বলেন, ‘আমি তোমাকে সাহায্যের জন্য প্রস্তুত।’ তবে জাকারবার্গ বলেন, ফেসবুক তো পিএইচপিতে লেখা, পার্লে নয়। এরপর মস্কোভিজ দুই দিনেই পিএইচপি শিখে ফেলেন এবং জাকারবার্গকে সাহায্য করেন। জাকারবার্গ ও মস্কোভিজ হার্ভার্ড ছেড়ে পুরো সময় ফেসবুকের পেছনে লেগে পড়েন। তবে ২০০৮ সালে ফেসবুক ছেড়ে দেন মস্কোভিজ। ফেসবুকে তাঁর যে শেয়ার থেকে যায় পরে তাতেই তিনি হয়ে ওঠেন তরুণ কোটিপতিদের একজন। পরে ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল বিলিওনিয়ারস’ বই ও ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ ছবির থিম হয়ে ওঠে জাকারবার্গ ও মস্কোভিজের সম্পর্ক।
তথ্যসূত্র: বিজনেস ইনসাইডার।